সাম্য রাইয়ান এর ব্লগ
বিন্দু
মদের পাত্রে দেখি প্রেমিকার মুখ
চেয়ে থাকি অ প ল ক
একটা কড়া চুম্বনের দৃশ্য
ভা স তে থা কে
চেখের কোনায়...
দৃশ্যটা কোলাজ হয়ে ব্রাউন কালার ধারণ করে;
বিকেলে ব্রিজে হেঁটে বেড়ায় বিষন্ন বালক
আমি তার নামও জানতে পারিনি কখনো
সেই বালক
অন্তত কিছু আশা স্যালাইনের মতো ঢুকে যাক তার শরীরে
সিরিঞ্জ এর ভেতর দিয়ে।
ভ্রমনে এসেছিল তারা, কয়েকজন উন্মাদ; যুবক-বন্ধু।
ভ্রমনে ছিল তারা
হিংস্রের বেশে উড়ছিল; বাড়ি ফেরার মূহুর্ত পযর্ন্ত।
তারা যে উন্মাদ ছিল তার এক প্রমাণ, তারা নিজেরা ছাড়া
আকাশে মেঘের দিকে চুম্বন ছুড়েঁ দিয়েছিল যে বালোক
তাঁর নাম বলা নিষেধ
উড়ছিলো ভাসছিলো
উড়ছিলো ভাসছিলো
ভসছিলো উড়ছিলো
উড়তে উড়তে ভাসতে ভাসতে
উৎসর্গ: তারিফ ভাই;
তারিফ উল হক-
কৃত্তিম আলোতে ঢাকা পড়ে প্রকৃত অন্ধকার
অতিআলোর আবর্জনায় আমি
হারিয়ে ফেলেছি জোনাকপরী।
জোনাকপরীরা আমায় ভালোবাসে।
... সাদা মনের মানুষ।
আহা, তোমায় পেট পুরে খায়
শুয়োপোকা... গুয়োপাকা... কতোপোকা...
...কতোনাম!...
তুমি সাদা মনের মানুষ(!) একথা
বুঝেছে ঠিকই বুনো শুয়োরের দল।
অনেকদিন পর নৃ’তে লিখছি। সবাইকে ধন্যবাদ।
তোমার সাথে দ্যাখা হবার মূহুর্তে আমার 'ইস্কুলের প্রথম দিনের কথা' মনে পড়ছিল বেশ। আমি এখন পেড়িয়েছি িকছুটা অন্ধকার। আর কিছুদূর যেতে হবে কেবল; এর পরই মুক্তি-- স্বাধীন হব আমি। ছুয়ে দেখব চির আকাঙ্খিত স্বাধীন
যতোই চেষ্টা করো পালাতে_ তবু্য়ো তোমাকে ধরবে মৃত্যুই_ জীবন থেকে যাবে অধরাই_ কোন এক সময় তুমি ধরা পড়বে এভাবে_ মৃত্যুর কাছে_ এবং পড়তেই থাকবে পড়তেই থাকবে পড়তেই থাকবে_ তোমরাই_ অবশেষে একবারই আটকা পড়ে_ বন্
হ্যাঙ্গারে ঝুলে আছি আমি
অথবা আমার শার্ট!
কথা
ভেসে চলে
বাতাসে বাতাসে
নদীর ঢেউয়ে, গাছের পাতায়।
দেহে চকলেটের গন্ধ মেখে
সাক্ষাত কার নিচ্ছে বালিকা!
নীরবে ছড়াচ্ছে ঘ্রাণ
পুলকিত হচ্ছে চারপাশ।
আমরাতো জানিই
চকলেট কতোটা পছন্দনীয়-লোভাতুর খাদ্য!
আমি বুঝতে পারছি
এদেশ বদলে যাচ্ছে আমূল;
যে মেয়ে ইস্কুলে যেতো খোপায় জবাফুল উচিয়ে
সে এখন, কালো রঙের আলখেল্লায়
হয়ে থাকে পিরামিড।
মনের মধ্যে বেধে রাখি মাতালের সুর।
কতবার ভেবেছি জীবনে
একটা ফুলের মৃত্যুতে কাদবোনা কখনোই;
প্রজাপতিরা যতোই কেদে উঠুক
অথবা করতে থাকুক সমবেত আর্তনাদ।
মুমূর্ষ রোগির
প্যারাসিটামলে কাজ হয়না
প্রয়োজন অন্য কিছুর
অন্য চিন্তার...
পায়ের তলে খেলা করে মিশরীয় মেঘ।
তোমাদের সরল অরুভূতি- পৌছেনি অতদূর।
মাথায় যখন ভর করে সিন্দাবাদের ভূত
কেন্দ্রে থেকে নিজেকে ভগবান মনে হয়
সহজ-সরল কথাগুলো অনেক পেচিয়ে বলার
মৃত মাছের কষ্ট
কে বোঝে আর, এক আমি ছাড়া!
ডাইনিং টেবিলে বসেতো আমি দেখি
রক্তাক্ত মাছ চিবিয়ে খাচ্ছো সবাই।
মাছেদের তো কেউ নেই এখানে মৃত স্বজন ছাড়া;
রক্তাক্ত মাছ চিবিয়ে খাচ্ছো তাই।
এই যে বেদনা