অভীক সোবহান এর ব্লগ
রাউন্ড-এরাউন্ড
.......................
পৃথিবী তার অদিষ্ট বৃত্তাকার রথে একবার
ফিরে এলে, খুব ভোরে কোকিল ডেকে ওঠে
সাই-ফাই প্রকৃতি মাঝে ফিরে আসে বসন্ত।
তৃতীয় বিশ্বের এই ফুটনোটে মুড়ানো
রবীন্দ্রনাথের চিত্রশিল্প: মডার্নিজমের সচেতন প্রকাশ - অভীক সোবহান
.................................
নির্ভরতার বাতাস
মুঠোয় পুরে রেখেছিলাম একদলা করপুর !
বহুদিন সংগ্রামহীন আলগা আঙ্গুল
ভাজ গলে সেই নির্ভরতার ঘ্রাণ প্রজাপতি হয়ে
উড়ে গেছে উচুতে _ নীলে, নগর সমীপে।
খুব মনে পড়ছে একটা লাইন-'রাস্তা চলছে চুকনগর . . .আমরা চলি তার হাওয়ায়।' _ এক প্রেমিক যুগলের সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে স্বাধীন রিক্সা ভ্রমণের বর্ননার এক পর্যায়ে বন্ধু প্রমোজ হাসান প্রায় বছর দশেক আগে লিখেছিল 'চুকনগর' শব্দটা। খুলনা শহর হতে সাতক্ষীরা যাবার পথের একটি নাম। কবিতাটা বোধ করি খুলনায় বসেই লেখা। ও তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ছাত্রের চেয়ে বরং একজন প্রাণময় নাট্যকর্মী, কিছুটা লালমলাট দুষ্ট। আমি তখন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৯০ শেষার্ধে ৯৭-৯৮ এর কথা। খু .বি হাতে-পায়ে তেমন বাড়েনি তখনও। এর মাঝেও স্ট্যাবলিশমেন্ট যাই হোক, কোথায় যেন অন্য একটা ঘাটতি _ প্রাণ নেই। আসলে সে দেহের স্পন্দন সংস্কৃতিক কর্মকান্ড স্বতস্ফূর্ত সাংগাঠকিক রূপ নেয়নি। যতদূর মনে পড়ে ১৯৯৯, পহেলা বৈশাখ বিকালে (জনহীন, শূন্য শ্বশান) একা হেটে যাচ্ছি শহীদ মিনারের সামনের রাস্তা দিয়ে। দেখলাম গোরা (পরবর্তীতে নৃ-নাট্যের পালের বেয়াড়া হাওয়া) একা একা ধীর গতিতে শহীদমিনারটা মোমবাতি দিয়ে সাজাচ্ছে। বুঝে নিলাম নিরব প্রতিবাদের ভাষা। কিন্তু এডমিন্সট্রেশনের চিরায়ত ভয় মুক্তবুদ্ধির চর্চা ছাত্রদের অতি সচেতন করে তুলতে পারে। জন মানবহীন বৈশাখী বিকেলটা এখন চোখের সামনে ঝুলে আছে। এরই মাঝে ৯৯ এ দেখা মিলল ম. হাসান হীরা, তৌহিদ এনাম অপু সহ একঝাঁক সবুজের।