কবিতা
[গ্রিমোরিয়াম ভেরাম নামে এক ডেথ মেটাল ব্যান্ডের জন্য একটা গান লিখেছিলাম ইংরেজিতে। নাম 'Agony From Inferno'। তার অনুবাদ করছিলাম। কোন কারণ নেই, এমনিই। হঠাত কি মনে হতে কমরেড সিরাজ শিকদারের হ
দেশ-কাল-পরিস্থিতি, যাই বলিনা কেন হাতে- পায়ে সুতো বেঁধে পুতুল নাচ নাচায় শুওরের বাচ্চারা।। আত্মমৈথুন করে ক্লান্ত আমরা নিজের অজান্তেই কোরবানি করে দেই
শ্বাসযন্ত্র টেনে নেয় বাতাস।
নিকোটিনে পোড়া ফুসফুস তৈরি হয়
[নোটঃ ছন্দ, গদ্য-পদ্য ইত্যাদি হাবিজাবির গন্ডী অস্বীকার করেছিলাম কলেজ বয়েসের এই কবিতাখানায়। নামখানা এত পছন্দ হয়েছিল, নিজেকে সহস্রজ ক্রান্তিবীর ভাবা শুরু করে
<!--[if gte mso 9]>
<!--[if gte mso 9]>
কবিতা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। যেহেতু বৃহত্তর ও বহুমাত্রিক জীবনই কবিতার অনুষঙ্গ তাই একে কোন একটা সংজ্ঞায় বন্দি করা প্রায় অসম্ভব। অনেক গদ্য পড়বার পর
ক্রন্দসী’র ঈদ সংখ্যায় আগ্রহীরা আপনার সেরা লেখাটি পাঠিয়ে দিতে পারেন।
খোলো খোলো হৃদয়ের আরুদ্ধ কপাট
আর নয়তো হিংসার বীজবোনা
হৃদয়-অলিন্দের যতো কালো রক্তজমাট
প্রেমের ফুলেল পরশে হোক না সোনা?
খোলো হৃদয়ের দ্বার খোলো না আবার
মদের পাত্রে দেখি প্রেমিকার মুখ
চেয়ে থাকি অ প ল ক
একটা কড়া চুম্বনের দৃশ্য
ভা স তে থা কে
চেখের কোনায়...
দৃশ্যটা কোলাজ হয়ে ব্রাউন কালার ধারণ করে;
বিকেলে ব্রিজে হেঁটে বেড়ায় বিষন্ন বালক
আমি তার নামও জানতে পারিনি কখনো
সেই বালক
অন্তত কিছু আশা স্যালাইনের মতো ঢুকে যাক তার শরীরে
সিরিঞ্জ এর ভেতর দিয়ে।
ভ্রমনে এসেছিল তারা, কয়েকজন উন্মাদ; যুবক-বন্ধু।
ভ্রমনে ছিল তারা
হিংস্রের বেশে উড়ছিল; বাড়ি ফেরার মূহুর্ত পযর্ন্ত।
তারা যে উন্মাদ ছিল তার এক প্রমাণ, তারা নিজেরা ছাড়া
আকাশে মেঘের দিকে চুম্বন ছুড়েঁ দিয়েছিল যে বালোক
তাঁর নাম বলা নিষেধ
উড়ছিলো ভাসছিলো
উড়ছিলো ভাসছিলো
ভসছিলো উড়ছিলো
উড়তে উড়তে ভাসতে ভাসতে
উৎসর্গ: তারিফ ভাই;
তারিফ উল হক-
কৃত্তিম আলোতে ঢাকা পড়ে প্রকৃত অন্ধকার
অতিআলোর আবর্জনায় আমি
হারিয়ে ফেলেছি জোনাকপরী।
জোনাকপরীরা আমায় ভালোবাসে।
... সাদা মনের মানুষ।
আহা, তোমায় পেট পুরে খায়
শুয়োপোকা... গুয়োপাকা... কতোপোকা...
...কতোনাম!...
তুমি সাদা মনের মানুষ(!) একথা
বুঝেছে ঠিকই বুনো শুয়োরের দল।
ক'দিন আগেও ছেলেটাকে ব্যাগ কাঁধে ক্লাসে যেতে দেখেছে কাশেম;
সকালে উঠেই নিত্যদিনের অভ্যাস তার এই চা দোকানে বসা,
আজও সেখানে বসেই পেয়ালা হাতে রাজা উজির মারছিলো সে,
অনেকদিন ধরে ভাবছি
শুধু ভাবছি না স্বপ্নও দেখছি।
একটা নতুন সভ্যতার, একটা নতুন দেশের।
যেখানে থাকবেনা কোন সাম্প্রদায়িকতা, কোন বর্ণ ভেদাভেদ।
যেখানে একটাই ধর্ম আর একটাই পথ,
নীরব নিথর গাছেদের সারি দীর্ঘ্য হয়; দ্রুত
বুজে যায় পাতা কড়ই গাছের—লজ্জ্বায় সন্ধ্যার এ বহিরাবরণ
দোদুল্যমান-অস্থিরতা পা কাঁপে-শিবের চোখে জ্বালা;
